আল-আমিন তালুকদার মোট প্রদত্ত ভোটের মাত্র ০.২৬ শতাংশ পেয়েছেন। অথচ নির্বাচন কমিশনের নিয়ম অনুযায়ী জামানত রক্ষা করতে প্রয়োজন অন্তত ১২.৫ শতাংশ ভোট।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, এ আসনের ১৫০টি ভোটকেন্দ্রের ৮৩৫টি কক্ষেই আল-আমিন তালুকদারের পোলিং এজেন্ট উপস্থিত ছিলেন। কাগজে-কলমে প্রতিটি কক্ষে তার প্রতিনিধি থাকলেও ব্যালট বাক্সে সেই উপস্থিতির কোনো প্রতিফলন দেখা যায়নি। অর্থাৎ, তার নিজের নিযুক্ত এজেন্টদের একটি বড় অংশই তাকে ভোট দেননি বলে ধারণা করা হচ্ছে।
স্থানীয় ভোটাররা বলছেন, ফুলকপি প্রতীক নিয়ে ভোটে দাঁড়ালেও আল-আমিন তালুকদার সাধারণ মানুষের কাছে ছিলেন কার্যত অপরিচিত। প্রচার-প্রচারণাহীন এমন এক প্রার্থীর এত বিশাল সংখ্যক পোলিং এজেন্ট কীভাবে এলো এবং এজেন্টরা কেন তাকে ভোট দিলেন না—তা নিয়ে জনমনে নানা কৌতূহল দেখা দিয়েছে।
এ বিষয়ে প্রতিক্রিয়া জানতে মো. আল-আমিন তালুকদারের ফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তা বন্ধ পাওয়া যায়।